বাংলাদেশের বর্তমান অনেক ভাই আছেন যারা জিহাদ করতে ইচ্ছুক কিন্তু কোন মাধ্যম না জানার কারণে কি করবেন বুঝে উটতে পারছেন না, তাদের জন্য এটি হতে পারে একটি দিক নির্দেশনা। নিঃসন্দেহে কাফের এবং মুসলিমের পার্থক্য সালাত দিয়ে। কিছু ভাই থাকতে পারে যারা জিহাদের পথকে বুঝতে পেরেছেন কিন্তু এখনো ৫ ওয়াক্ত সালাত ঠিক মতো আদায় করছেন না। হয়তো ৪ ওয়াক্ত আদায় করছেন এক ওয়াক্ত বাদ যাছে, নয়তো ২ ওয়াক্ত বাদ যাচ্ছে ৩ ওয়াক্ত আদায় করছেন অথবা এরকম কিছু একটা হচ্ছে তারা আজ এই লেখাটি পড়ার সাথে সাথে তওবা করে নিন এবং ৫ ওয়াক্ত জামাতে আদায় করার নিয়ত করে নিন। ইসলামের সকল বিধি নিষেধ মানে চলুন। যার যার অবস্থান থাকে জিহাদের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করুন। মনে রাখবেন নিজের জান এবং মাল দ্বারাই জিহাদ করতে হবে। নিজেকে আল্লাহ্র রাস্তায় নিয়জিত করতে হবে। নিজেকে আল্লার পথেই বিলিয়ে দিতে হবে। তাহলেই আসবে সে মহা- সাফল্য হয়তো শাহাদাত নয়তো গাজী। বাংলাদেশে খলীফা বা আমীরের আদেশ আশার সাথে সাথেই জিহাদে ঝাঁপিয়ে পরতে হবে। যতদিন জিহাদের নির্দেশ না আসে তত দিন কি করবেন? আমাদের মনে রাখতে হবে পশ্চিমা গুষ্টি আমাদের সাথে আল্লার ইচ্ছায় সামরিক যুদ্ধে জয়লাভ করে না বরং জয়লাভ করে মিডিয়া যুদ্ধে। তারা এই মিডিয়া দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করছে পুরো পৃথিবী। তাদের এই মিডিয়া দ্বারা মুসলিমদের মগজ ধূলায় করেছে। মিথ্যাকে সত্য আর সত্যকে মিথ্যা বলে মুসলিমদের ধোঁকা দিচ্ছে। হক এবং বাতিলকে মিশ্রিত করে ফেলেছে। আমাদের ঠিক এই স্থানে আঘাত করতে হবে। কি ভাবে আঘাত করবেন তাদের মতো বড় বড় মিডিয়া তো আপনার হাতে নেই তাতে কি হয়েছে। আপনার কাছে ইন্টারনেট আছে, একটি PC অথবা mobile আছে এটি নিয়েই ঝাঁপিয়ে পরুন কাফেরদের বীরুধে। ফেচবুক, টুইটার, ইউটিউব ইত্যাদি যে সব সামাজিক যোগাযোগ মিডিয়া আছে তাতে শুরু করে দিন মিডিয়া জিহাদ। মানুষের মনে আবার ঢুকিয়ে দিন কালেমার সঠিক ব্যাখ্যা। দূর করেদিন জিহাদ সম্পর্কে মানুষের ভুল ধারণা। আপনি শুরু করুন ইনশাআল্লাহ্ আল্লাহ্ আপনাকে সাহায্য করবেন। অনেক ভাই আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইছেন কিন্তু এখন সে সময় আসেনি তাই আমরা তা পারছি না। আর আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন সে দিন বেশি দূরে নয় আল্লাহ্ পরিস্থিতি উল্টিয়ে দিবেন। ততদিন এ ভাবে মিডিয়া জিহাদ চালিয়ে যান। কোন ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাকে খাট করে দেখবেন না, মনে রাখবেন ক্ষুদ্রের উপরই বৃহৎ তৈরি হয়। চেষ্টা চালিয়ে যান ইনশাআল্লাহ্ জয়ী আমরাই হবো।
জিবন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জিবন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০১৬
সর্বোচ্চ ত্যাগের মানসিকতা নিয়ে ইসলামী আন্দোলনকে কাঙ্খিত মঞ্জিলে নিয়ে যেতে হবে
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নব নির্বাচিত কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী অপশাসনে সারাদেশ আজ কারাগারে পরিণত হয়েছে। নতুন বছরে কারারুদ্ধ দেশবাসীকে মুক্ত করার লড়াই চলবে। যৌথবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, র্যাব ও দলীয় সন্ত্রাসী দিয়ে সারাদেশে ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের রক্তে রঞ্জিত করা হচ্ছে। কিন্তু ছাত্রশিবির নেতাকর্মীরা জীবন দিয়েছে, সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছে কিন্তু বাতিলের সামনে মাথা নত করেনি।
তিনি ছাত্রশিবিরের ২০১৬ সালের কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্বাচনত্তর বৈঠকে এসব কথা বলেন। এসময় সদ্য বিদায়ী কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার, নব মনোনিত সেক্রেটারী জেনারেল ইয়াছিন আরাফাত, সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি সেলিম উদ্দিন, মতিউর রহমান আকন্দ, নূরুল ইসলাম বুলবুল এবং কার্যকরী পরিষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শিবির সভাপতি বলেন, আজকের কার্যকরী পরিষদের সমাপনী অধিবেশন যখন করছি তখন কারা প্রকোষ্টে দিন যাপন করছেন সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, মো. দেলাওয়ার হোসেনসহ হাজার হাজার নেতাকর্মী। যাদের অনেকের উপর গ্রেফতারের পর থেকেই অমানুসিক নির্যাতন করা হয়েছে। জালিম সরকার মনে করেছিল ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের আটকে রেখে এই সংগঠনের কাজকে দমাতে পারবে। কিন্তু তাদের সে ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। ছাত্রশিবিরের লাখো নেতাকর্মী সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।
সদ্য বিদায়ী কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার বলেন, ত্যাগ কুরবানী ইসলামী আন্দোলনে খুব স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা ত্যাগের মহিমায় উজ্জীবিত হয়ে যে নজির স্থাপন করেছে তা বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সুচনা করেছে। শাহাদাতের তামান্না বুকে ধারণ করে ইসলামী আন্দোলনকে কাঙ্খিত মঞ্জিলে নিয়ে যেতে হবে। একই সাথে ঈমানী মজবুতি নিয়ে ময়দানে অতীতের মত জোরালো ভূমিকা পালন করে যেতে হবে।
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মতিউর রহমান আকন্দ শাহাদাতবরণকারী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের কথা স্মরণ করে বলেন, ছাত্রশিবির নেতাকর্মীরা নিজেদের জীবন বিলিয়ে দিয়ে, শত নির্যাতন সয়ে অপশাসন বিরোধী আন্দোলনে মাইলষ্টোন রচনা করেছেন। শহীদ ভাইয়েরা যে প্রেরণায় আমাদের উজ্জীবিত করে গেছেন, সেই প্রেরণাকে বুকে নিয়ে আমরা সামনের সকল বাঁধা মাড়িয়ে যাব। ইসলাম ও দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে ছাত্রশিবিরই বাংলাদেশকে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিবে। তরুন প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে ছাত্রশিবিরই জাতির মুক্তি আন্দোলনে নেতৃত্ব দেবে। শত বাধা আর নির্যাতনের পরও তরুন প্রজন্ম ছাত্রশিবিরকেই মেধা বিকাশ, চরিত্র গঠন ও নেতৃত্বের জন্য গাইডলাইন হিসেবে গ্রহণ করেছে।
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, অসংখ্য ভাইয়ের শাহাদাতে আজ বাংলাদেশের যমীন কথা বলতে শুরু করেছে। ছাত্রশিবির আজ বাংলাদেশের প্রতিটি পরিবারে পৌছে গেছে। অগণিত ভাইয়েরা নিজের জীবন দিয়ে ছাত্রশিবিরকে যে উচ্চতায় তুলে ধরেছেন, ত্যাগের বিনিময়েই নেতাকর্মীদের সে অবস্থান ধরে রাখতে হবে। আদর্শের দাওয়াত দেশের সকল শ্রেণী পেশার মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। নিত্য নতুন কৌশল আর প্রজ্ঞাকে কাজে লাগিয়ে কর্মসূচি পালন করতে হবে।
তিনি ছাত্রশিবিরের ২০১৬ সালের কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্বাচনত্তর বৈঠকে এসব কথা বলেন। এসময় সদ্য বিদায়ী কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার, নব মনোনিত সেক্রেটারী জেনারেল ইয়াছিন আরাফাত, সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি সেলিম উদ্দিন, মতিউর রহমান আকন্দ, নূরুল ইসলাম বুলবুল এবং কার্যকরী পরিষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শিবির সভাপতি বলেন, আজকের কার্যকরী পরিষদের সমাপনী অধিবেশন যখন করছি তখন কারা প্রকোষ্টে দিন যাপন করছেন সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, মো. দেলাওয়ার হোসেনসহ হাজার হাজার নেতাকর্মী। যাদের অনেকের উপর গ্রেফতারের পর থেকেই অমানুসিক নির্যাতন করা হয়েছে। জালিম সরকার মনে করেছিল ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের আটকে রেখে এই সংগঠনের কাজকে দমাতে পারবে। কিন্তু তাদের সে ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। ছাত্রশিবিরের লাখো নেতাকর্মী সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।
সদ্য বিদায়ী কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার বলেন, ত্যাগ কুরবানী ইসলামী আন্দোলনে খুব স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা ত্যাগের মহিমায় উজ্জীবিত হয়ে যে নজির স্থাপন করেছে তা বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সুচনা করেছে। শাহাদাতের তামান্না বুকে ধারণ করে ইসলামী আন্দোলনকে কাঙ্খিত মঞ্জিলে নিয়ে যেতে হবে। একই সাথে ঈমানী মজবুতি নিয়ে ময়দানে অতীতের মত জোরালো ভূমিকা পালন করে যেতে হবে।
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মতিউর রহমান আকন্দ শাহাদাতবরণকারী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের কথা স্মরণ করে বলেন, ছাত্রশিবির নেতাকর্মীরা নিজেদের জীবন বিলিয়ে দিয়ে, শত নির্যাতন সয়ে অপশাসন বিরোধী আন্দোলনে মাইলষ্টোন রচনা করেছেন। শহীদ ভাইয়েরা যে প্রেরণায় আমাদের উজ্জীবিত করে গেছেন, সেই প্রেরণাকে বুকে নিয়ে আমরা সামনের সকল বাঁধা মাড়িয়ে যাব। ইসলাম ও দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে ছাত্রশিবিরই বাংলাদেশকে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিবে। তরুন প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে ছাত্রশিবিরই জাতির মুক্তি আন্দোলনে নেতৃত্ব দেবে। শত বাধা আর নির্যাতনের পরও তরুন প্রজন্ম ছাত্রশিবিরকেই মেধা বিকাশ, চরিত্র গঠন ও নেতৃত্বের জন্য গাইডলাইন হিসেবে গ্রহণ করেছে।
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, অসংখ্য ভাইয়ের শাহাদাতে আজ বাংলাদেশের যমীন কথা বলতে শুরু করেছে। ছাত্রশিবির আজ বাংলাদেশের প্রতিটি পরিবারে পৌছে গেছে। অগণিত ভাইয়েরা নিজের জীবন দিয়ে ছাত্রশিবিরকে যে উচ্চতায় তুলে ধরেছেন, ত্যাগের বিনিময়েই নেতাকর্মীদের সে অবস্থান ধরে রাখতে হবে। আদর্শের দাওয়াত দেশের সকল শ্রেণী পেশার মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। নিত্য নতুন কৌশল আর প্রজ্ঞাকে কাজে লাগিয়ে কর্মসূচি পালন করতে হবে।
শনিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০১৬
বাসর রাতের গল্প
বাসর ঘরে ঢুকে নতুন বউকে দেখে কোন কথা বলার প্রয়োজন মনে করলো না স্বপ্নীল। আস্তে করে নতুন বউয়ের কাছাকাছি গিয়ে কিছুক্ষণ কি যেন ভাবল তারপর তার নাগরা জুতা জোড়া খুলে খাটের নিচে রেখে আস্তে করে সোজা নতুন বউয়ের কোলে উপর শুয়ে পড়ল নতুন বউ নতুন জামাইয়ের কান্ড দেখে পুরাই ভ্যাবাচ্যাকা খেল কি করবে তা ভেবে কোন কুল করতে পারল না নতুন জামদানীর ঘোমটা কিছুটা সরিয়ে নতুন জামাইয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারল চোখ বন্ধ কি কারণে তার জামাইবাবু এইভাবে হঠাৎ করে তার কোলে শুয়ে পড়ল তা তার বোধগম্য হল না
নতুন বউ যে এই অবস্থায় একটু ভ্যাবাচ্যাকা খাবে তা ভালো করেই জানত স্বপ্নীল মৃদু স্বরে বলল,
বউ আমার মাথার চুলগুলোতে কি একটু হাত বুলিয়ে দিবা?
তার জামাই আকাশ থেকে পড়লে যতটা না আশ্চর্য হত তার চেয়েও কয়েকগুন বেশি আশ্চর্য হয়ে সে স্তম্ভিত হয়ে বসে রইল বিয়ের প্রথম রাতেই নতুন বউয়ের সাথে কোন আলাপচারিতা ছাড়াই এরকম আবদার করে কি কেউ? কি করবে এখন সে? মাথায় কি হাত বুলিয়ে দিবে? না যেভাবে আছে সেভাবে বসে থাকবে
বউয়ের এমন আচরন দেখে মনে মনে হাসল স্বপ্নীল ভাবল, বউ বোধহয় ভাবছে আমার মাথায় কিছুটা গোলমাল আছে। না হলে কি আমি এরকম আচরন করি হঠাৎ সে বউয়ের কোল হতে লাফ দিয়ে উঠে বসল। বউয়ের সামনে বসে ঘোমটাটা সরিয়ে হাসিমাখা ৩২ দন্ত বিকশিত করে বলল তোমার নাম কি এবার নতুন বউয়ের মুখেও কথা ফুটল। সে বলল বিয়ের আগে কি আপনি আমার নাম শোনেন নাই
আমিতো তো তোমার নামটা জানি
জানলে আবার জিজ্ঞেস করলেন ক্যান?
কি দিয়ে কথা শুরু করব তা ভেবে পাইতেছিলাম না। তাই ভাবলাম নাম জিজ্ঞাসা করার মাধ্যমেই শুরু করি
ঠিক আছে। এখন আবারো শুইন্যা রাখেন আমার পুরো নাম জলিলুর আক্তার জলি
চমেৎকার নাম আচ্ছা শোন একটা কথা বলে রাখি তোমাকে। এই মুহূর্ত থেকে তুমি কিন্তু আমাকে আর আপনি বলে ডাকতে পারবানা
তাহলে কি বলে ডাকব
কেন তুমি
আচ্ছা চেষ্টা করব
আচ্ছা আমাকে আমার নাম জিজ্ঞেস করতো
বল, তোমার নামটা কি
বাবারে এতো দেখি একবারে প্রাইমারী স্কুলের মাষ্টারের মত নাম জিজ্ঞেস করছ
ক্যান তুমিইতো তুমি করে বলতে বললে
আচ্ছা ঠিক আছে শোন আমার নাম স্বপ্নীল আহমেদ স্বপ্নীল। কয়েক ঘন্টা পূর্বেও আমি আমি সিঙ্গেল ব্যাচেলর ছিলাম। আজকেই বিয়ে করলাম। বউয়ের নাম জলিলুর আক্তার জলি। বউয়ের সাথে আজকেই আমার প্রথম বাসর রাত....
স্বপ্নীলের বকবকে কিছুটা বিরক্ত হয়ে থামিয়ে দিল জলি
থাক আর বলতে হবে না আপনি যে কথা বলার উপরে ডাবল পিএইচডি লাভ করেছেন সেইটা আপনাকে দেখেই বুঝছি
আচ্ছা বলতো ভালবাসার বড় শত্রু কি? জলিকে থামিয়ে প্রশ্ন করল স্বপ্নীল
প্রশ্ন শুনে কিছুক্ষন চুপ করে থাকল জলি। তারপর মাথা দিয়ে ইশারা করে বলল জানিনা
আচ্ছা, আরেকটা প্রশ্ন - বলতো ভালোবাসার সবচেয়ে বড় বন্ধু কি?
ভালোবাসার আবার বন্ধু হয় নাকি হাসতে হাসতে বলল জলি।
হ্যা, হয়। ভালোবাসার বন্ধু,শত্রু দুটিই হয় শোন ভালবাসার সবচেয়ে বড় শত্রু হচ্ছে গোপনীয়তা আর সবচেয়ে বড় বন্ধু হল স্যাক্রিফাইস। যাই হোক, ম্যাডাম আপনাকে অনেক জ্ঞান প্রদান করিলাম। এবার কি উহার বদলে আমার চুলে একটুখানি হাত বুলিয়ে দেয়া যাবে
স্বপ্নীলের কথা শুনে হেসে ফেলল জলি
আর কোন উত্তরের আশা না করে জলির কোলে আবার শুয়ে পড়ল স্বপ্নীল
কোমল হাতে স্বপ্নীলের সদ্য কামানো ন্যাড়া মাথায় হাত বুলাতে লাগল জলি
নতুন বউ যে এই অবস্থায় একটু ভ্যাবাচ্যাকা খাবে তা ভালো করেই জানত স্বপ্নীল মৃদু স্বরে বলল,
বউ আমার মাথার চুলগুলোতে কি একটু হাত বুলিয়ে দিবা?
তার জামাই আকাশ থেকে পড়লে যতটা না আশ্চর্য হত তার চেয়েও কয়েকগুন বেশি আশ্চর্য হয়ে সে স্তম্ভিত হয়ে বসে রইল বিয়ের প্রথম রাতেই নতুন বউয়ের সাথে কোন আলাপচারিতা ছাড়াই এরকম আবদার করে কি কেউ? কি করবে এখন সে? মাথায় কি হাত বুলিয়ে দিবে? না যেভাবে আছে সেভাবে বসে থাকবে
বউয়ের এমন আচরন দেখে মনে মনে হাসল স্বপ্নীল ভাবল, বউ বোধহয় ভাবছে আমার মাথায় কিছুটা গোলমাল আছে। না হলে কি আমি এরকম আচরন করি হঠাৎ সে বউয়ের কোল হতে লাফ দিয়ে উঠে বসল। বউয়ের সামনে বসে ঘোমটাটা সরিয়ে হাসিমাখা ৩২ দন্ত বিকশিত করে বলল তোমার নাম কি এবার নতুন বউয়ের মুখেও কথা ফুটল। সে বলল বিয়ের আগে কি আপনি আমার নাম শোনেন নাই
আমিতো তো তোমার নামটা জানি
জানলে আবার জিজ্ঞেস করলেন ক্যান?
কি দিয়ে কথা শুরু করব তা ভেবে পাইতেছিলাম না। তাই ভাবলাম নাম জিজ্ঞাসা করার মাধ্যমেই শুরু করি
ঠিক আছে। এখন আবারো শুইন্যা রাখেন আমার পুরো নাম জলিলুর আক্তার জলি
চমেৎকার নাম আচ্ছা শোন একটা কথা বলে রাখি তোমাকে। এই মুহূর্ত থেকে তুমি কিন্তু আমাকে আর আপনি বলে ডাকতে পারবানা
তাহলে কি বলে ডাকব
কেন তুমি
আচ্ছা চেষ্টা করব
আচ্ছা আমাকে আমার নাম জিজ্ঞেস করতো
বল, তোমার নামটা কি
বাবারে এতো দেখি একবারে প্রাইমারী স্কুলের মাষ্টারের মত নাম জিজ্ঞেস করছ
ক্যান তুমিইতো তুমি করে বলতে বললে
আচ্ছা ঠিক আছে শোন আমার নাম স্বপ্নীল আহমেদ স্বপ্নীল। কয়েক ঘন্টা পূর্বেও আমি আমি সিঙ্গেল ব্যাচেলর ছিলাম। আজকেই বিয়ে করলাম। বউয়ের নাম জলিলুর আক্তার জলি। বউয়ের সাথে আজকেই আমার প্রথম বাসর রাত....
স্বপ্নীলের বকবকে কিছুটা বিরক্ত হয়ে থামিয়ে দিল জলি
থাক আর বলতে হবে না আপনি যে কথা বলার উপরে ডাবল পিএইচডি লাভ করেছেন সেইটা আপনাকে দেখেই বুঝছি
আচ্ছা বলতো ভালবাসার বড় শত্রু কি? জলিকে থামিয়ে প্রশ্ন করল স্বপ্নীল
প্রশ্ন শুনে কিছুক্ষন চুপ করে থাকল জলি। তারপর মাথা দিয়ে ইশারা করে বলল জানিনা
আচ্ছা, আরেকটা প্রশ্ন - বলতো ভালোবাসার সবচেয়ে বড় বন্ধু কি?
ভালোবাসার আবার বন্ধু হয় নাকি হাসতে হাসতে বলল জলি।
হ্যা, হয়। ভালোবাসার বন্ধু,শত্রু দুটিই হয় শোন ভালবাসার সবচেয়ে বড় শত্রু হচ্ছে গোপনীয়তা আর সবচেয়ে বড় বন্ধু হল স্যাক্রিফাইস। যাই হোক, ম্যাডাম আপনাকে অনেক জ্ঞান প্রদান করিলাম। এবার কি উহার বদলে আমার চুলে একটুখানি হাত বুলিয়ে দেয়া যাবে
স্বপ্নীলের কথা শুনে হেসে ফেলল জলি
আর কোন উত্তরের আশা না করে জলির কোলে আবার শুয়ে পড়ল স্বপ্নীল
কোমল হাতে স্বপ্নীলের সদ্য কামানো ন্যাড়া মাথায় হাত বুলাতে লাগল জলি
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)


